মাফ চাইলেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনের কাছে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী এজন্যে ক্ষমা চেয়েছেন যে, তার সাথে ফোনে যে বাক্যলাপ হয়েছিল তা প্রকাশ হয়ে যায়। 

বান কি মুনের সাথে গত ১০ আগস্ট ওই টেলিফোন সংলাপে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তেহরানে জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে বারণ করেছিলেন। কিন্তু সে বারণ উপেক্ষা করে বান কি মুন তেহরান যান। এসব বিষয় প্রকাশ হয়ে পড়লে অনুতপ্ত বোধ হওয়ায় নেতানিয়াহু ক্ষমা চাইছেন। এছাড়া ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এহুদ বারাক জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনকে জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে যোগ না দিতে এক বার্তা পাঠিয়েছিলেন। এমন কি শুধু বান কি মুন নন, তেহরানে জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে অন্যান্য রাষ্ট্রপ্রধানরা যাতে যোগ না দেন তারও আহবান জানিয়ে নেতানিয়াহু বলেছিলেন, আন্তর্জাতিকভাবে ইরানকে একঘরে করতে কারো উচিত নয় তেহরান সামিটে যোগ না দেয়া। কিন্তু তারপরও প্রায় একশ দেশের রাষ্ট্রপ্রধান জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে যোগ দেন। জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনের কয়েক সপ্তাহ পর বান কি মুন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীকে তার সাথে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও প্রেসিডেন্টের সাথে সাক্ষাতের বিষয়টি অবহিত করেন। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৬৭তম সম্মেলনে বান কি মুনের সাথে ফের সাক্ষাতে বসছেন নেতানিয়াহু্। তবে সম্মেলনে নেতানিয়াহু প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সাথে সাক্ষাত প্রার্থনা করলেও নির্বাচনী ব্যস্ততায় ওবামা সময় দিতে পারছেন না। এদিকে অভিযোগ উঠেছে মার্কিন নির্বাচনে নেতানিয়াহু ওবামার প্রতিদ্বন্দ্বি রমনিকে ব্যাপক আর্থিক সাহায্য দিচ্ছেন। নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ট ইসরাইলি ব্যবসায়ী শেলডন এ্যাডেলসন ওই অর্থের যোগানদাতা বলে মার্কিন ব্লগার হেলেনা কোববান জাস্ট ওয়ার্ল্ড নিউজকে বলেছেন।

অনলাইন ডেস্ক