উত্তর দিয়েছেন পার্টি চীফ হুইপ মিসেস নীসা হারিগান। দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকটের সুরাহা হচ্ছে না কেন? সরকার গঠনে এত বিলম্বিত হচ্ছে কেন? বড় দুই দল ঐক্যমতে পৌছাতো পারলেও ছোট দলগুলোকে এগিয়ে আসছেনা কেন?

এদেশের মূলধারার রাজনীতির খুটিনাটি খরর নেন যারা তাদের অনেকের মাথায় এমন কিছু প্রশ্ন গিজগিজ করছে। তবে গ্রীনপার্টির চীপ হুইপের কাছে থেকে বেড়িয়ে এসেছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যা দিয়ে কিছুটা হলেও রাজনৈতিক সমীকরণের হিসাব মিলাতে পারবেন অনেকেই। হারিগান মনে করেন আয়ারল্যান্ডের নতুন সরকারের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে, মহামারীর ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে অনেক সময় লাগবে, ইতিমধ্যে দেশের বেকার সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে, বর্তমানে ২২% লোক বেকারত্বের মধ্যে আছে অনেকেই জানেননা কভিড-১৯ পরবর্তীতে তাদের কাজ থাকবে কি না। অর্থমন্ত্রীর ভাষ্য মতে, "দেশের বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি কমবে ১০.৫%।"

আয়ারল্যান্ডে ২০০৮ সালের ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের পর এটা হতে যাচ্ছে আরেকটি সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সংকট। ২০০৮ সালে সরকারের অনেক ভুল সীদ্ধান্তের কারণে সেই সংকট কাটিয়ে উঠতে অনেক দেরী হয়েছিল। এবারো তাই ছোট দলগুলো ভেবে চিন্তে পা বাড়াচ্ছে, ব্যর্থ সরকারের তকমা কেউ গায়ে মাখতে চাচ্ছে না, তাছাড়া প্রতিটি রাজনৈতিক দলেই নির্বাচনের সময় স্বতন্ত্র ইশতেহার ছিল সেগুলো বাস্তবায়ন নিয়ে বড় দলগুলোর সাথে ছোট দলের দেন দরবার করতে হয়। তিনি উল্লেখ করেন গ্রীন পার্টি দেশে কার্বন নিঃসরণের মাত্রা ১০ ভাগ কমিয়ে আনতে বদ্ধ পরিকর তাই জলবায়ু পরিবর্তন রোধে সরকারের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনার নিশ্চয়তা আমরা চাই এছাড়াও ডাইরেক্ট প্রভিশন সিস্টেম বিলুপ্ত করতে হবে। গ্রীন পার্টি ফিনে গেইল ও ফিনা ফলের সাথে সরকার গঠনের প্রশ্নে ১৭ দফা দাবী লিপিবদ্ধ করে রেখেছে।

ওবায়দুর রহমান রুহেল
অনুবাদ করা হয়েছে এক্সট্রা ডট আই থেকে