থ্রিডি মুভির তুলনা থ্রিডি মুভি দিয়েই করা যায়। যারা থ্রিডি মুভি দেখেছেন তারা নিশ্চই ভাল করেই জানেন অন্য রকম এক অনুভূতির পরশ বুলিয়ে দেয়। চোখের সামনে যেন বাস্তবতার ছড়াছড়ি। পর্দা চিড়ে যেন বের হয়ে যায় ড্রাগনের আগুন।

অন্যরকম এক শিহরনের কথা মনে করে দেয় থ্রিডি মুভি। এত নাটকীয়তার কি কারণ? হ্যাঁ কারণ একটাই প্রযুক্তির কল্যাণে আজ আমরা বাস্তবতার স্বাদ পেতে পারি থ্রিডি মুভি দেখে।

কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা কিন্তু এই প্রযুক্তি ব্যাবহারের বিপক্ষে বলছে। জানা গেছে, থ্রিডি সিনেমা উপভোগে দৃষ্টি ও চলাফেরায় সমস্যা তৈরি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছ। বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষক শুন-নান ইয়ং বলেন, ‘কম বয়সী দর্শকদের থ্রিডি ছবি দেখার প্রতি বেশি আসক্তি থাকলেও তাদের ওপরই নেতিবাচক প্রভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়। অবশ্য একটু দূর থেকে দেখা এবং দেখার সময় অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে এ সমস্যা দূর করা সম্ভব।’ 

গবেষকরা বিভিন্ন বয়সী মানুষকে দ্বিমাত্রিক ও থ্রিডি ছবি দেখতে দিয়ে এবং সেই সঙ্গে তাদের বসার স্থানেরও পরিবর্তন এনে দেখেন যে, বসার স্থান ও বয়সভেদে প্রভাবের তারতম্য ঘটে। থ্রিডি ছবির দর্শকের ২১ শতাংশের মধ্যেই পরিবর্তন দেখা যায়, যেখানে দ্বিমাত্রিক ছবির দর্শকের ওপর পরিবর্তনের হার ১২ শতাংশ। গবেষণা থেকে আরও জানা যায়, থ্রিডি ছবি দেখার সময় তরুণ অংশগ্রহণকারীর দৃষ্টিশক্তি ঘোলা হয়ে যাওয়া, একের অতিরিক্ত দেখা এবং বমি বমিভাব পরিলক্ষিত হয়।