আজ ৮ই জুন, ২০২০ থেকে নিজ বাসা হতে ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত ভ্রমণ করা যাবে, স্বল্প পরিসরে সর্বোচ্চ ছয়জন লোক সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কোন ফ্যামিলি বাসায় ভ্রমণ করতে পারবে। করোনা ঝুঁকিতে থাকা বয়স্কদের সাথেও তাদের নাতি নাতনি ও পরিবারের অন্য সদস্যরা দেখা স্বাক্ষাৎ করতে পারবেন।

দীর্ঘদিন লকডাউনে থাকার পর কারো বাসায় বেড়াতে যাওয়া কিংবা পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে মিলিত হওয়ার দৃশ্য স্বভাবতই খুব আবেগপ্রবণ ঘটনা। অতি অবেগে অনেকেই হয়তো প্রিয় মানুষটিকে জড়িয়ে ধরতে চাইবেন কিংবা চুমু খেতে ব্যাকুল হয়ে আছেন, তবে দেশের স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের নির্দেশিকা অনুসারে এখনো শারীরিক সংস্পর্শ এড়িয়ে চলার কথা বলা হয়েছে। বুমন্ট হাসপাতালের সংক্রামক ব্যাধি কনসালটেন্ট প্রফেসর স্যাম ম্যাক'কনকি বলেন, "দেশের জনসাধারণের উচিত কপালে চিন্তার ভাঁজ না রেখে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিচলিত না হয়ে সামাজিক সম্মোধনের প্রচলিত প্রথা থেকে সরে এসে নতুনভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে একজন আরেকজনের সাথে মিলিত হওয়া, দূর থেকে দু'হাত বাড়িয়ে জড়িয়ে ধরার আবেগ প্রকাশ করা, বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গিতে যেমন উড়ন্ত চুমু, হাত নেড়ে অভিবাদন জানানো ইত্যাদির মাধ্যমে নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করা"।

কতক্ষণ অন্যবাসায় অবস্থান করতে পারবো?
প্রফেসর স্যাম ম্যাক'কনকি বলেন ন্যাশনাল পাবলিক হেলথ ইমারজেন্সী টিমের পরামর্শ মতে, ডাঃ টনি হলোহান, প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাতকার ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাইমন হ্যারিসের ভাষ্যমতে, যেসব কাউন্টিতে গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কোন করোনা রোগী পাওয়া যায়নি যেমন ডুনেগাল, স্লাইগো, লিট্রিম সেসব কাউন্টিতে অপেক্ষাকৃত বেশী সময় ভ্রমণ করা যেতে পারে তবে যারা স্বাস্থ্যকর্মী হাসপাতালের রোগীদের সংস্পর্শে থাকেন তাদের বেলায় পারিবারিক ভ্রমণে অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে গেছে এমনটা ভাবার কোন সুযোগ নেই, মনে রাখতে হবে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোনরূপ লক্ষণ প্রকাশিত না হয়েও আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যকে সংক্রামিত করতে পারেন।

ওবায়দুর রহমান রুহেল
বার্তা সম্পাদক