ইকোনোমিক ও সোশ্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মতে কভিড-১৯'র প্রাদুর্ভাব দেশের অর্থনৈতিক জীবনব্যবস্থায় এক অবর্ণনীয় ক্ষতি নিয়ে এসেছে যা আধুনিক বিশ্বের নতুন প্রজন্মের জন্য অশুভ ইঙ্গিত। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় পর্যাপ্ত বিনিয়োগ ও গবেষণা না হলে হয়তো এই প্রজন্মকে তাদের জীবদ্দশায় ভবিষ্যতে আবার এরকম নতুন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হবে।

ইকোনোমিক সোশ্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (ESRI) ভাষ্যমতে, অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের উদ্দীপনা বাড়াতে সরকারকে অভিনব কৌশল খুজে বেড় করতে হবে। এই নতুন কৌশল স্বল্প মেয়াদে বা দীর্ঘ মেয়াদে ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনর্গঠনে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

এই বছরে বেকারত্বের হার ১৭% এ গিয়ে ঠেকবে।

ইকোনমিক সোশ্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরামর্শ হলো চলমান কভিড-১৯ মহামারী বেকার ভাতা সরকারকে চালিয়ে যেতে হবে, এটা বন্ধ করা যাবেনা যতক্ষন না অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরায় চালু হয়। একই সময় সরকারকে দেশের অর্থনীতির ক্ষতির পরিমাণ জরিপ করতে হবে যাতে পুনরায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সূদরপ্রসারী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যায়।

দেশের চলমান হাউজিং সংকট, আগামীর জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি মোকাবিলা এসব সমস্যাগুলো চিহ্নিত করার জন্য এই কভিড-১৯ মহামারী পরিস্থিতি হচ্ছে উপযুক্ত সময়। তাই নতুন সরকারকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে এসব সমস্যা সমধানেও মনোনিবেশ করতে হবে।

ওবায়দুর রহমান রুহেল
বার্তা সম্পাদক