করোনা সংকটের এই দুঃসহ দিনগুলোতে মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় সারা দেশের মানুষ যখন একজন আরেকজনের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে ঠিক তখনি উল্টো পথে হাটছে কর্পোরেট বিশ্বের বিতর্কিত কোম্পানি ডেবেনহ্যামস্।

কোম্পানিটি কভিড-১৯ মহামারীর অজুহাতে কর্মীদের বকেয়া বেতন ভাতা পরিশোধ না করে কোন প্রকার পূর্ব নোটিশ ছাড়াই নিজেদের ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে। সদ্য চাকুরীচ্যুত এসব কর্মীরা নিজেদের অধিকার আদায়ে আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছেন। গত সপ্তাহে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে কর্কের ডেবেনহ্যামস্ কর্মীরা টাকা ভর্তি ভ্যান আটকে দেন, তাদের দাবী ভ্যানটি সেন্ট প্যাট্রিকস বিক্রয় শোরোম থেকে ক্যাশ টাকা নিয়ে ফিরছিল।

কর্কে আন্দোলনকারীরা গত সপ্তাহে ব্যাংক অব আয়ারল্যান্ড সাউথ মল শাখার সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানায়। উল্লেখ্য ব্যাংক অব আয়ারল্যান্ড ডেবেনহামস্ এর পেরেন্টস কনসার্ন/একই মালিকানার অংশীদার বিবেচনা করা হয়। নায্য অধিকার আদায়ে আন্দোলনরত কর্মীদের সমর্থন জানিয়েছেন শীনফিন টিডি জনাব থমাস গুড, সংসদে দাঁড়িয়ে কথা বলেছেন আরেক টিডি জনাব মিক বেরী।

ডেবেনহ্যামস্ কর্মীদের আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী স্টিয়ার্ড জেনী বলেন আমরা বিভিন্ন কাউন্টিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ব্যাংক অব আয়ারল্যান্ডের শাখাগুলোর সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করে যাব। তিনি বলেন কোম্পানীটি এখনো আমাদের বোনাস পরিশোধ করেনি। মিসেস জেনী বলেন আমরা পূর্বের বোনাস দাবি করছিনা তবে সম্প্রতি ট্রেড ইউনিয়নের সাথে সমোঝোতার মাধ্যমে পরিশোধযোগ্য অর্থের দাবী জানাচ্ছি। এটি দুই সাপ্তাহের বাধ্যতামূলক ভাতার সাথে আরও দুই সপ্তাহ যোগ হয়েছে সুতরাং এটা খুব বড় টাকার অংক নয়। মিসেস জেনি উক্ত কোম্পানীতে গত ২৪ বছর ধরে কাজ করে আসছেন কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত তাঁকে এখন অধিকার আদায়ের জন্য রাস্তায় নামতে হচ্ছে।

ওবায়দুর রহমান রুহেল
বার্তা সম্পাদক