আইরিশ ফলের খামার কিলিংস্ (Keelings) ফসল তোলার জন্য বুলগেরিয়া থেকে ১৮৯ জন মৌসুমি শ্রমিক উড়িয়ে আনলো, বিতর্ক সংসদ পর্যন্ত গড়ালো।

আইরিশ প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাতকার আজ কিলিং ফার্মের বহুল আলোচিত বিতর্ক নিয়ে মুখ খোলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন বিভিন্ন ফসলের খামারে মৌসুমি শ্রমিকরা অত্যাবশকীয় কর্মী বলে বিবেচিত, সঠিক সময়ে ফসল সংগ্রহ করতে না পারলে তা নস্ট হয়ে যাবে তখন দেশে খাদ্য সংকট দেখা দিবে। তিনি গত সপ্তাহে আয়ারল্যান্ড ভিত্তিক কৃষি খামার কিলিং এর বুলগেরিয়া থেকে ১৮৯ জন মৌসুমি শ্রমিক নিয়ে আসায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন, তিনি মনে করেন স্থানীয় আইরিশ অথবা অভিবাসীদের দিয়ে এ কাজ করানো যেত। বিষয়টি এতটাই স্পর্শকাতর ও বিতর্কিত যে বিভিন্ন রাজনীতিবিদ ও সিভিল সোসাইটি সমালোচনার তীরে বিদ্ধ করেছে খামারের নীতিনির্ধারকদের। দেশের চলমান লকডাউন পরিস্থিতিতে এরকম হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে জনসাধারণের স্বাস্থ্যসুরক্ষা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাতকার বিমানবন্দর ও সমুদ্র বন্দরগুলোতে এরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটানোর জন্য পরিচালকদের নির্দেশ দেন।

প্রধান মেডিক্যাল অফিসার ডা. টনি হলোহান এই ঘটনায় খুব অস্বস্তি প্রকাশ করেন এবং মন্তব্য করতে বিব্রতবোধ করেন।

উল্লেখ্য আয়ারল্যান্ড ভিত্তিক কৃষি খামার কিলিংস্ ১৯২৬ সাল থেকে পারিবারিকভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। বিভিন্ন ফলফলাদি ও শাক সবজি উৎপাদনে খামারটির যথেষ্ট সুনাম ও পরিচিতি রয়েছে। চলমান বিতর্কের ব্যাপারে খামারের দায়িত্বশীলদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, এখন স্ট্রবেরি কুড়ানোর সময়, আমরা নিরুপায়! পর্যাপ্ত স্থানীয় কর্মী না পেয়ে আমরা এই সীদ্ধান্ত নিয়েছি, স্থানীয় পর্যায়ে মাত্র ৪০ জন লোক এই কাজের জন্য আবেদন করেছেন। নির্দিষ্ট সময়ে স্ট্রবেরি সংগ্রহ করতে না পারলে সব নস্ট হয়ে যাবে যা ফার্মের জন্য বড় অংকের লোকসান হিসেবে দেখা দিবে। খামারটির পক্ষ থেকে বলা হয় আইরিশ কৃষি খাত অনেকটাই মৌসুমি শ্রমিকদের উপর নির্ভর করে, বীজ রোপণ, পরিচর্যা ও ফসল সংগ্রহের সময় আমাদের এসব শ্রমিকদের প্রয়োজন হয়।

ওবায়দুর রহমান রুহেল
অনুবাদ করা হয়েছে দি র্জানাল ডট আই ই থেকে