প্রকাশ্যে ধূমপান সম্পূর্ণরুপে বন্ধে সুইজারল্যান্ডের নাগরিকরা ভোট দিতে যাচ্ছেন। তাদের ভোটেই নির্ধারণ হবে দেশটিতে প্রকাশ্যে ধূমপান থাকবে কি না? বর্তমানে দেশটির হোটেল, রেস্তোরা ও বারে ধূমপানের অনুমতি রয়েছে। 

তবে সমালোচকরা এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যের ক্ষতির বিষয়টি বারবারই সামনে আনছেন। আর এসব ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে সরকার এ বিষয়ে ভোটের আয়োজন করতে যাচ্ছে। দুই বছর আগে দেশটিতে জনসম্মুখে (পাবলিক প্লেসে) ধূমপানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলেও তামাক পণ্য বাজারজাতকারী সংস্থাগুলোর তদবিরে তা বাস্তবে রূপ নিতে পারেনি। তবে এক জরিপে দেখা গেছে, পার্শ্ব অসুবিধাভোগীর চেয়ে সুইডেনে ধূমপায়ীর সংখ্যা বেশি। এজন্য সরকারের এই প্রস্তাব ভেস্তে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিবিসির ইমোজেন ফোলকস বলেছেন, ‘সুইজারল্যান্ড প্রকাশ্যে ধূমপান বন্ধে এখন অর্থব্যয় করতে যাচ্ছে। অথচ প্রতিবেশী জার্মানি, ইতালি ও ফ্রান্স আইন করে অনেক আগেই জনসম্মুখে ধূমপান বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে।’

সুইজারল্যান্ডে লগ্নিকারী ইউরোপভিত্তিক বেশ কয়েকটি বড় তামাক কোম্পানির তদবিরে জনসম্মুখের ধূমপান করার জন্য বিশেষ কক্ষের অনুমতি ছিল। সমালোচকদের বক্তব্য, সুইজারল্যান্ড তার ২৬টি প্রদেশে অনেকটা অসমভাবে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ফলে তা আলোর মুখ দেখেনি। তবে আশার কথা জেনেভাসহ আটটি প্রদেশে ইতিমধ্যে তাদের রেস্তোরা, বার, ও হাসপাতালে সম্পূর্ণভাবে ধূমপান বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু বাকি ১৮টি প্রদেশে যাচ্ছেতাই অবস্থা চলছে।

অনলাইন ডেস্ক